ম্যাজিক ল্যাম্পের দলবল

ম্যাজিক ল্যাম্পের এই সংখ্যার দলবল
সপ্তম বর্ষ ।। প্রথম সংখ্যা ।। শারদীয়া ২০২১।।

যাঁরা প্রথম থেকে পাশে আছেন


অনন্যা দাশ
বাংলা শিশু-কিশোর সাহিত্যে একটি উল্লেখযোগ্য নাম। ছেলেবেলা কেটেছে জয়পুর শহরে। বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভেনিয়া নিবাসী এবং পেন স্টেট বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত। ইংরাজি ও হিন্দি ভাষায় সৃজনশীল রচনার সঙ্গে বাংলা থেকে অনুবাদও করেন। ‘ইন্দ্রজালের নেপথ্যে’, ‘মার্কিন মুলুকে নিরুদ্দেশ’, ‘রুজভেল্টের পাণ্ডুলিপি’, ‘ফুলের দেশের বিভীষিকা’, ‘হিরের চেয়ে দামি’, ‘মৎসকন্যার অভিশাপ’, ত্রি-তীর্থঙ্করের অন্তর্ধান’, ‘উত্তরাধিকার এবং’ তাঁর বিখ্যাত কিছু বই। একমাত্র ‘উত্তরাধিকার এবং’ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য প্রকাশিত। ম্যাজিক ল্যাম্প পরিবারের  অন্যতম প্রধান উপদেষ্টা।

অভিজ্ঞান রায়চৌধুরী
লেখক-এর সম্পর্কে আর নতুন করে কিছু বলার অপেক্ষা রাখে না। লেখালেখির শুরু ১৯৯৪ থেকে। লেখার বিষয় প্রধানত বিজ্ঞান, কল্পবিজ্ঞান এবং রহস্য হলেও কিশোর সাহিত্যের অন্যান্য ধারাতেও সমান স্বচ্ছন্দ এবং জনপ্রিয়। বই - ‘মাঝে মাত্র চব্বিশ দিন’, ‘নিয়ম যখন  ভাঙ্গে’, ‘সংকেত রহস্য’, ‘রহস্য যখন ডারউইন’, ‘ভৌতিক অলৌকিক’ ও অন্যান্য। বর্তমানে আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে উচ্চপদে কর্মরত এবং সেই সুত্রে ব্রিটেনের ওয়েলস প্রবাসী। ম্যাজিক ল্যাম্প পরিবারের অন্যতম প্রধান উপদেষ্টা।

দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
জয়ঢাক ও tambourine নামে ছোটোদের দুটো ওয়েবপত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। ১৯৯৫ সালে গুয়াহাটিতে খবরের কাগজে লেখা শুরু। বড়ো-ছোটো বিভিন্ন পত্রিকায় সেই থেকে নিয়মিত লিখেছেন ও লিখছেন।
প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা অনেক, তার মধ্যে কয়েকটি – ইলাটিন বিলাটিন (ছড়া), কল্পলোকের গল্পকথা (ছড়া), বনপাহাড়ি গল্পগাথা (লোকগল্প), ঈশ্বরী (গল্পগ্রন্থ), ঠগির আত্মকথা(অনুবাদ), দোর্দোবুরুর বাক্স (উপন্যাস), ইচ্ছেপলাশ (উপন্যাস), গভীর উত্তর সরণীতে (বাশো মাৎসুওর ভ্রমণকাব্যের অনুবাদ)। ম্যাজিক ল্যাম্প পরিবারের অন্যতম প্রধান উপদেষ্টা

অমিতাভ প্রামাণিক
ব্যাঙ্গালোর নিবাসী বিশিষ্ট বিজ্ঞানী এবং বহুজাতিক সংস্থার উচ্চপদস্থ আধিকারিক। ছড়া লেখায় তাঁর জুড়ি মেলা ভারএছাড়াও অন্যান্য লেখালেখিতেও অনায়াস। ম্যাজিক ল্যাম্প পরিবারের অন্যতম প্রধান উপদেষ্টা এবং বিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় সম্পাদক
ম্যাজিক ল্যাম্পের ম্যাজিশিয়ানরা


দ্বৈতা হাজরা গোস্বামী
ম্যাজিক ল্যাম্পের সম্পাদিকা। কলকাতার লেডি ব্রেবোর্ন কলেজে ও কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কৃত এবং বৈদিক সাহিত্য নিয়ে পড়াশোনার পরে বর্তমানে ব্যাঙ্গালোরের জৈন বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্র সংঘের পরিবেশ মূলক নীতি বিষয়ে গবেষনায় রত, এবং জৈন বিশ্ববিদ্যালয়ে সংস্কৃতের অধ্যাপিকা হিসেবে নিযুক্তকবিতা প্রথম ভালবাসাএছাড়াও ছবি আঁকতে, আবৃত্তি করতে, এবং ছোটদের সঙ্গে সময় কাটাতে ভালোবাসেনপ্রথম বই ১৪টি ছোটো গল্পের সংকলন সাত আকাশের ওপারেকিশোর ভারতী, আনন্দমেলা, রঙবেরঙ, কিচিরমিচির, ইচ্ছামতি-তে কবিতা, প্রবন্ধ, গল্প ইত্যাদি লেখালিখি করেন, এছাড়াও নিয়মিত জয়ঢাক পত্রিকায় গল্প পাঠ করেনদ্বৈতা ম্যাজিক ল্যাম্প-এর ছড়া-কবিতা বিভাগটি দেখছেনম্যাজিক ল্যাম্পের মস্তিষ্ক দ্বৈতা।

সহেলী চট্টোপাধ্যায়
সহেলী ম্যাজিক ল্যাম্পের সহ-সম্পাদিকাউত্তর চব্বিশ পরগণার কাঁচরাপাড়ার বাসিন্দা। শখ বই পড়া আর মাঝে মাঝে এক আধটা গল্প লেখা। প্রকাশিত গল্প-সংকলন ভয় জাগানো ৯। ম্যাজিক ল্যাম্পের মেরুদন্ড হিসেবে যারা আছেন তাদের মধ্যে অন্যতম
তাপস মৌলিক
নিবাস উত্তরপাড়া, পেশায় ইঞ্জিনিয়ার, তাপস মৌলিক ছোটোদের জন্য লিখছেন গত কয়েক বছরজনপ্রিয় বিভিন্ন ওয়েব পত্রিকা ও কাগুজে পত্রিকায় নিয়মিত লেখালিখি করেন তিনিপ্রকাশিত কিশোর গল্প সংকলন দাম সিং’, 'আজে গল্প বাজে গল্প', 'তাক ধিন ধিন তাক', 'কাগা-বগার বই' এবং 'কাজার সূর্য', এছাড়া প্রকাশিত হয়েছে অনুবাদ কমিকস টোটা আর টিটো। লেখালিখির পাশাপাশি গানবাজনা এবং ভ্রমণে সমান উৎসাহীম্যাজিক ল্যাম্প পরিবারের অন্যতম উপদেষ্টা এবং ওয়েব ডিজাইনার


এই সংখ্যায় ম্যাজিক ল্যাম্পের জন্য তুলি ধরেছেন যাঁরা

অতনু দেব, জয়িতা বিশ্বাস, দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য, নচিকেতা মাহাত, মৃণাল শীল,
রাজা আক্তার, লাবণি চ্যাটার্জি, শুভশ্রী দাস, শ্রীময়ী, সপ্তর্ষি চ্যাটার্জী,
সুকান্ত মণ্ডল, সুজাতা চ্যাটার্জী, সুমিত রায়, স্যমন্তক চট্টোপাধ্যায়, সৌম্য প্রামাণিক


ম্যাজিক ল্যাম্পের এই সংখ্যায় যাঁরা প্রথম লিখলেন

অঙ্কন মুখোপাধ্যায়, অমিত চট্টোপাধ্যায়, অয়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, জয়তী রায় মুনিয়া,
দেবলীনা দাস, দেবাদ্রি বসাক, বদরুল বোরহান, রমিত চট্টোপাধ্যায়, রাজা ভট্টাচার্য,
শঙ্খশুভ্র পাত্র, শ্রেষ্ঠা বোস, সঞ্জয় কর্মকার, সঞ্জয় বন্দ্যোপাধ্যায়, সপ্তর্ষি সেনগুপ্ত,
সায়ন তালুকদার, সুব্রত চৌধুরী, সৌমী গুপ্ত, হীরামন
_____

2 comments:

  1. আগে কখনও দেখিনি। দেখলাম। বেশ ভালো লাগল।

    ReplyDelete
  2. প্রথমবার লেখার সুযোগ পেয়ে খুব ভালো লাগল।আশা করি,এই বন্ধন চিরস্থায়ী হবে।সকলকে শারদীয়ার শুভেচ্ছা জানাই।

    ReplyDelete