অপরাজিত:: দ্য গডফাদার অফ ক্রিকেট - রাজীব কুমার সাহা

দ্য গডফাদার অফ ক্রিকেট
রাজীব কুমার সাহা

সারা মাঠ জুড়ে থিকথিকে দর্শক। ব্যাটটা বগলে চেপে ক্রিজের দিকে এগিয়ে চলেছেন প্রায় ছয় ফুট দুই ইঞ্চির একজন নাদুসনুদুস ব্যাটসম্যান। চারদিকে উল্লাসধ্বনিতে ফেটে পড়ছে মাঠ। বোলার দৌড়ে এসে বল করল। প্রথম বলেই ক্লিন বোল্ড। বলটা তীরবেগে এসে উইকেটের মাথায় আটকানো বেলদুটোকে স্থানচ্যুত করে বেরিয়ে গেল। হঠাৎ বোলার আর ফিল্ডারদের হতভম্ব করে দিয়ে ব্যাটসম্যান ছিটকে পড়া বেলদুটোকে মাটি থেকে কুড়িয়ে এনে স্বস্থানে আটকে দিয়ে আম্পায়ারকে একটু মুচকি হেসে বললেন, “আজ হাওয়ার গতি প্রকৃতি তেমন সুবিধের ঠেকছে নাকী বলেন মিঃ আম্পায়ার? দেখলেন তো কাণ্ডটা, কীরকম ধাক্কা মেরে বেলদুটোকে ফেলে দিল হতচ্ছাড়া হাওয়াটা!”

আম্পায়ারও একটু মুচকি হাসলেন প্রথমে। তারপর গম্ভীর গলায় বললেন, “হ্যাঁ, তা সত্যি ডাক্তার। তবে আশা করছি ওই হতচ্ছাড়া বাতাসটাই আপনাকেও প্যাভিলিয়নের দিকে এগিয়ে যেতে সাহায্য করবে পেছনে ধাক্কা মেরে।”
ব্যাপারটা এতই আকস্মিক ছিল যে মাঠের বাইরের দর্শকরা কিছুই আঁচ করতে পারেনি। বোলার, স্লিপার আর উইকেট কিপার – সবাই থম মেরে দাঁড়িয়ে আছেন যে যার জায়গায়। তারপর সম্বিৎ ফিরে আসতেই জোর আপীল করলেন সবাই মিলে। আম্পায়ারও আঙুল তুললেন। ওদিকে ব্যাটসম্যান গ্যাঁট হয়ে উইকেটে দাঁড়িয়ে বিভিন্ন শট ঝালিয়ে নিচ্ছেন হাওয়ায় ব্যাট চালিয়ে। মাঝে মাঝে পিচের উঁচুনিচু জায়গাগুলো ব্যাট দিয়ে ঠুকে ঠুকে সমান করার চেষ্টা করছেনহাবভাবখানা এমন যেন কিছুই হয়নি, প্রথম বলটা ডট খেলেছেন মাত্র। আম্পায়ার অবস্থা বেগতিক দেখে এগিয়ে এসে চোখ দিয়ে ব্যাটসম্যানকে ফিরে যেতে ইশারা করতেই চটে মটে ব্যাটসম্যান দাঁতে দাঁত চেপে বললেন, “দেখুন মিঃ আম্পায়ার, লোকগুলো আমার খেলা দেখার জন্যে মাঠে এসে হাজির হয়েছে। আপনার আঙুল তোলা দেখতে নয়। যান, নিজের জায়গায় গিয়ে খেলা চালু করুন। দর্শকরা অধৈর্য হচ্ছে।”

এখন প্রশ্ন দাঁড়াচ্ছে, তা কী করে হয়? এ তো একটা অসম্ভব গল্প। না, যখনকার কথা বলছি তখন এই ঘটনাটা অসম্ভব ছিল না। তখন ক্রিকেট খেলাটা হত প্রাণের আবেগ থেকে। আজকালকার মতো এত্ত এত্ত নিয়ম কানুন ছিল না এতে। আর বলতে গেলে তখন থেকেই আস্তে আস্তে বর্তমানের বিভিন্ন নিয়ম কানুনগুলো একে একে বলবৎ হতে শুরু হয় ক্রিকেটে।
কিন্তু কে এই কীর্তিমান ব্যাটসম্যান? ইনি উইলিয়াম গিলবার্ট গ্রেস। যার ডাকনাম ডব্লিও জি, দ্য ডক্টর, দ্য চ্যাম্পিয়ন, দ্য বিগ ইউ এন, দ্য ওল্ডম্যান। যিনি ১৮৬৫ সাল থেকে ১৯০৮ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের মোট ২৯টি টিমের হয়ে খেলেছেন। যাকে ‘ক্রিকেটের গড ফাদার’, ‘ফাদার অফ ক্রিকেট’ নামে অভিহিত করা হয়। আমরা ডন ব্র্যাডম্যান, সচিন তেন্ডুলকরের নাম সবাই জানিকিন্তু ক্রিকেট জগতের এক আশ্চর্য মানুষ উইলিয়াম গিলবার্ট গ্রেসের নাম অনেকেই হয়তো জানি না। অন্তত আমি তো জানতাম না।
মা মার্থা আর বাবা হেনরি মিলস গ্রেসের অষ্টম সন্তান উইলিয়াম ১৮৪৮ সালের ১৮ জুলাই ইংল্যান্ডের ব্রিস্টলের ডাউনেন্ডে জন্মান। বড় তিন ভাই আর চার বোনের ছোট উইলিয়ামের একমাত্র ছোটভাই ছিলেন ফ্রেড গ্রেস। বড় ভাইদের মধ্যে ই.এম.গ্রেস, উইলিয়াম নিজে এবং ছোটভাই ফ্রেড গ্রেস একই টিমে খেলতেন। মা মার্থা তাঁকে ডাকতেন উইলি নামে। মাত্র দু’বছর বয়সে ক্রিকেটে হাতেখড়ি হয় উইলিয়ামেরগ্রাম্য এলাকায় থাকার ফলে নিজের এবং আশেপাশের গ্রামের ছেলেদের সাথে তাঁর সখ্যতা গড়ে ওঠে। তাঁদের অন্যতম খেলা ছিল মাঠে এসে উড়ে বসা পাখিদের তাক করে ঢিল ছোঁড়া যা পরবর্তীকালে ক্রিকেট মাঠে তাঁকে ফিল্ডিংয়ে দক্ষতা বাড়াতে অনেক সাহায্য করেছিল বলে জানান তিনি। এছাড়া ছেলেবেলায় অ্যালফ্রেড পোকক নামে একজন দক্ষ কোচের সান্নিধ্যে আসেন উইলিয়ামআস্তে আস্তে ক্রিকেট তাঁর রক্তে ঢুকে যায়। তাছাড়া ন’জন ভাইবোন মিলে বাড়ির বাগানে খেলতে খেলতে ক্রিকেট একসময় উইলিয়ামের ভালবাসায় পরিণত হয়ে যায়। উইলিয়াম ক্রিকেটের একজন বিখ্যাত অল রাউন্ডার ছিলেন এবং সাধারণত তাঁর দলের ব্যাটিং ইনিংয়ের সূচনা করতেন। তবে প্রথম বলটি তিনি কখনই খেলতেন না।
স্কুলের অত্যন্ত দুষ্ট প্রকৃতির ছাত্র উইলিয়ামের গতানুগতিক ধারাতেই শিক্ষা দীক্ষা শুরু হলেও অচিরেই তাঁকে স্কুলের মায়া কাটাতে হয়। চৌদ্দ বছর বয়সে উইলিয়াম গুরুতর নিমোনিয়ায় আক্রান্ত হলে বাবা হেনরি তাঁকে স্কুল থেকে ছাড়িয়ে এনে পড়াশুনোটা বাড়িতেই ব্যবস্থা করে দেন। ১৮৭৯ সালে তিনি ডাক্তারি পাশ করলেও তাঁর একমাত্র ধ্যানজ্ঞান ছিল ক্রিকেট। ক্রিকেট সংক্রান্ত খুঁটিনাটি এবং এই খেলায় তিনি এতটাই দক্ষতা অর্জন করেন যে তদানীন্তন আমলে উইলিয়াম ইংল্যান্ডের অতি বিখ্যাত ব্যক্তিত্বদের মধ্যে একজন হিসেবে পরিচিতি লাভ করেন। পেশায় মূলত একজন ডাক্তার হওয়ার সুবাদে তিনি একজন শখের ক্রিকেটার হিসেবে খেললেও যে কোনও পেশাদার ক্রিকেটারের তুলনায় উইলিয়াম বেশি উপার্জন করতেন ক্রিকেট খেলে।

পেশায় ডাক্তার হলেও ডাক্তারিতে উইলিয়ামের একদমই মন বসত না। তাঁর মন পড়ে থাকত ক্রিকেটের মাঠেব্যাট আর বলের দুর্দান্ত সংঘর্ষে মন মজে থাকত তাঁর। ডাক্তার বলে ডাকলে প্রচণ্ড রেগে যেতেন তিনি। চটে মটে বলতেন, “আমার সামনে এসে ডাক্তার ডাক্তার করবে না। আমি মানুষের ডাক্তার নই, ক্রিকেটের ডাক্তার। রুগীর রোগটা ঠিক ধরতে পারি না বটে, তবে বোলারদের রোগটা ঠিকই ধরে ফেলি। বোলারের হাত থেকে বলটা বেরোলেই বুঝতে পারি ওটা কেমন ধারার বল। আর তখন বলের সাথে ট্রিটমেন্টটাও সেরকমভাবেই করি।”
এমনই মজার মানুষ ছিলেন এই গ্রেট ব্যাটসম্যান।
উইলিয়াম গ্রেস ছিলেন একজন জাত ব্যাটসম্যানবাঁধাধরা ক্রিকেট ব্যাকরণের তোয়াক্কা না করে বলটাকে বাউন্ডারির রাস্তা দেখাতেই অভ্যস্ত ছিলেন বরাবর।

উইলিয়াম তখন সদ্য উনিশে পা রেখেছেন। ১৮৬৬ সালের জুলাই মাসে উইলিয়াম অপরাজিত ২২৪ রানের একটি দৃষ্টিনন্দন ইনিংস খেলেন ইংল্যান্ডের ওভালে। এটা ছিল তাঁর প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে প্রথম শতক। তৎকালীন ক্রিকেটের প্রচুর অপ্রচলিত রীতি নীতি উইলিয়ামের ব্যাট থেকে জন্ম নেয়। বদলে যায় ক্রিকেটের গতানুগতিক ধারা। শুরু হয় আধুনিক ক্রিকেট। বিশেষত পুল স্ট্রোক, হুক শট এসবের ক্ষেত্রে এক অন্য মাত্রা যোগ করেন এই কীর্তিমান ক্রিকেটার। আর বোলিংয়ের ক্ষেত্রে লেগ ব্রেকের জন্মদাতা হিসেবে তাঁকেই মানা হয় ক্রিকেট বিশ্বে। ইংল্যান্ড বোলিং টিমের প্রথম অধিনায়ক ছিলেন তিনি। ক্রিকেট জগতে প্রথম ট্রিপল সেঞ্চুরির খেতাবটাও তাঁরই দখলে। উইলিয়ামের ব্যাট থেকে ছিটকে আসা একটি ওভার বাউন্ডারিই অদ্যাবধি দীর্ঘতম সিক্সার হিসেবে আজও জ্বলজ্বল করছে যার দৈর্ঘ্য ছিল ৩৬ মাইল। উইলিয়ামের ব্যাট থেকে বলটি উড়ে এসে একটা চলতি ইঞ্জিনের ওপর পড়লে ইঞ্জিনটি না থেমে ৩৬ মাইল দূরে পরবর্তী স্টেশনে গিয়ে থামে। উইলিয়ামও এক অনন্য রেকর্ডের অধিকারী হন।

১৮৬৮ সালের ৭ অক্টোবর ২০ বছর বয়সে উইলিয়াম নিজেদের বংশগত পেশা ডাক্তারি পড়ার জন্যে ব্রিস্টল মেডিক্যাল কলেজে ভর্তি হন। কিন্তু তাঁর প্রথম এবং একমাত্র নেশা ক্রিকেট তিনি চালিয়ে যান ডাক্তারি পড়ার পাশাপাশি। উইলিয়াম যেখানেই যেতেন চিকিৎসার সাজসরঞ্জামে ভর্তি একটা গ্ল্যাডস্টোন ব্যাগ সবসময় কাছে রাখতেন। সেই থেকেই ডাক্তারদের মধ্যে ওই ব্যাগ নিয়ে চলাচল করার রীতি প্রচলিত হয়। ক্রিকেট ছাড়াও উইলিয়ামের ফুটবল, ৪৪০ গজের হার্ডলার, গলফ, লন বোলস, কারলিং প্রভৃতি খেলার প্রতি ঝোঁক ছিল।

ক্রিকেট জীবনে অসংখ্য রেকর্ডের পাশাপাশি উইলিয়ামের বা তাঁকে নিয়ে স্মরণীয় ঘটনাও কম ছিল না। অত্যন্ত হাস্যরসিক ছিলেন ক্রিকেটের এই গডফাদার। ক্রিকেটের পাশাপাশি তাঁকে চিকিৎসা বিদ্যাটাও চালিয়ে যেতে হত। একদিন উইলিয়াম নিজের চেম্বারে বসে আছেন। রোগী এসে ভেজানো দরজায় টোকা দিল, “ডাক্তারবাবু আছেন নাকি?”
ডাক্তারবাবু জবাব দিলেন, “হ্যাঁ, উনি আছেন। গত মঙ্গলবার লাঞ্চের পর থেকেই ক্রিজে আছেন, খেলে যাচ্ছেন।”
আরেকবার হয়েছে কী, উইলিয়াম মাঠে ব্যাটসম্যানের খুব কাছেই ফিল্ডিং করছেন। বোলার বল করার পর ব্যাটসম্যান সসম্মানে ব্লক করলেন। বলটা লাফাতে লাফাতে উইলিয়ামের কাছে চলে এল। তিনি যথারীতি বলটা কুড়িয়ে বোলারকে ছুঁড়ে মারলেন। আসলে ছুঁড়ে মারার ভান করলেন। ব্যাটসম্যানও যথারীতি নিজের জায়গা ছেড়ে এসে সামনের একটু উঁচু মাটিতে ব্যাট ঠুকতে লাগলেন। তৎক্ষণাৎ উইলিয়াম বল ছুঁড়ে ব্যাটসম্যানের উইকেট ভেঙে দিয়ে আপীল করে বসলেন। সবাই একেবারে হতভম্ব। আসলে বলটা তখন কুড়িয়ে নিয়ে কখন যে তিনি তাঁর লম্বা লম্বা দাড়ির তলায় লুকিয়ে ফেলেছিলেন কেউ ঘুণাক্ষরেও টের পায়নি। এমনই ছিলেন উইলিয়াম গ্রেস।
একবার অস্ট্রেলিয়া ট্যুরে গিয়ে স্টওয়েল নামের এক ছোট্ট শহরে এক ঝাঁক মাছির পাল্লায় পড়লেন উইলিয়াম। কিছুতেই ওদের তাড়ানো যাচ্ছিল না। তাড়ালেই আবার ফিরে এসে বিরক্তির উদ্রেক করছে। উইলিয়াম আর স্থির থাকতে পারলেন না। হাওয়ায় অবিশ্বাস্য গতিতে হাত ঘুরিয়ে এক থাবা মারলেন টেবিলে। চমকে উঠল সবাই। শেষে গুনে দেখা গেল মোট ৭৬টা মাছি মরে পড়ে আছে। এতে সবাই আরেকবার বুঝে গেলেন যে মাঠে উইলিয়াম অসম্ভব ক্ষিপ্রতায় কী করে ফিল্ডিং করেন।

প্রায় ৪০ বছরের ক্রিকেট জীবনের সর্বকালের সেরা দশ বছরের পরিসংখ্যান দেখলেই বোঝা যায় কী অসাধারণ ক্রিকেটার ছিলেন উইলিয়াম। শুধু ঘরের মাঠে নয়, অস্ট্রেলিয়ার মতো বিদেশের মাঠেও তাঁর দাপট ছিল অক্ষুণ্ণ।

১৮৭৩ সালের ৯ অক্টোবর অ্যাগনেস নিকোলস ডে (১৮৫৩ - ১৯৩০) নাম্নী এক ব্রিটিশ কন্যার সাথে বিবাহসূত্রে আবদ্ধ হন উইলিয়াম। উইলিয়াম গিলবার্ট জুনিয়র (১৮৭৪ – ১৯০৫), হেনরি এডগার (১৮৭৬ – ১৯৩৭), বেসি (১৮৭৮ – ১৮৯৮) এবং চার্লস বাটলার (১৮৮২ – ১৯৩৮) - মোট চার সন্তানের জনক-জননী ছিলেন এই দম্পতি। কিন্তু উইলিয়াম দম্পতির সন্তান ভাগ্য সুখকর ছিল না একেবারেই। উইলিয়ামের সন্তানদের মধ্যে সবচেয়ে প্রিয় তথা একমাত্র কন্যা বেসি ১৮৯৮ সালে টাইফয়েডে মারা যায় মাত্র কুড়ি বছর বয়সে। তাঁর আগে ১৮৮০ সালে ছোট ভাই ফ্রেড নিজের প্রথম টেস্ট ম্যাচের মাত্র দুই সপ্তাহ পরে মারা গেলে মুষড়ে পড়েন উইলিয়াম। তারপর ১৯০৫ সালে মাত্র ত্রিশ বছর বয়সে তাঁর প্রথম পুত্র ডব্লিও. জি. জুনিয়র অ্যাপেন্ডিসাইটিসে মারা যায়। জীবিতকালে দুই প্রিয় সন্তান আর সন্তানসম কনিষ্ঠের অকালমৃত্যু তাঁর বুকে প্রচণ্ড আঘাত হানে।

সেই কিশোর বয়সে ব্যাট হাতে তুলে নিয়ে টানা ৫৮ বছর বয়স অবধি অক্লেশে ক্রিকেট খেলে যান এই মহান ক্রিকেটার। ৫৮ বছর বয়সে ক্রিকেটকে বিদায় জানালেও অবসর-পরবর্তীকালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হওয়ার কিছুদিন পরেই ১৯১৪ সালের ৮ আগস্ট নর্থব্রুকের বিরুদ্ধে তিনি তাঁর জীবনের শেষ ম্যাচ খেলেন। কিন্তু জীবনের শেষ ম্যাচে তিনি ব্যাট অথবা বল কোনওটাই করেননি। বাকি জীবনটা ৬৫ বছর বয়স অবধি চিকিৎসা করেই কাটিয়ে দেন রোগীদের। শেষে ১৯১৫ সালের ২৩ অক্টোবর মাত্র ৬৭ বছর বয়সে মটিংহ্যামে এই মহান ক্রিকেটার হৃদযন্ত্রের গোলযোগে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। Beckenham Cemetery, Elmers End Road, Beckenham, Kent, BR3 4TD-এই ঠিকানায় তাঁকে চিরনিদ্রায় শায়িত করা হয়।
----------------
তথ্যসূত্র ও ছবি - আন্তর্জাল

লেখক পরিচিতি - ত্রিপুরার মন্দিরনগরী উদয়পুরে জন্ম। বেড়ে ওঠা এবং স্থিতি গোমতী জেলার কাকড়াবনে। পেশায় একজন ফার্মাসিউটিক্যাল ডিস্ট্রিবিউটর। নেশা, বই পড়া, সিনেমা দেখা আর কল্পনার রাজ্যে হারিয়ে যাওয়া। বিভিন্ন পত্র পত্রিকায় অনেকদিন ধরেই লেখালেখি করছেন।

No comments:

Post a comment