ভ্রমণ:: বেনারসে ক’টা দিন - সহেলী চট্টোপাধ্যায়

বেনারসে ক’টা দিন
সহেলী চট্টোপাধ্যায়

কাশ শব্দের অর্থ জ্যোতি। আর এই কাশ থেকেই কাশী শব্দের উৎপত্তি। কাশীরই অপর নাম বারাণসী বা বেনারস। বরুণা আর অসি নদীর সংযোগস্থলে বারাণসী মহাদেব এবং পার্বতীর লীলাভূমি। দ্বাদশ জ্যোর্তিলিঙ্গের অন্যতম হলেন বিশ্বনাথ। তিনি আছেন কাশীতে। আছেন মা অন্নপূর্ণা। বাবা থাকবেন আর মা থাকবেন না তাই কি কখনও হতে পারে?
এই শহরের আরও অনেক নাম আছে। যেমন - কাশিকা, অবিমুক্ত, আনন্দবন ও রূদ্রবাস। বেনারস বিশ্বের প্রাচীন শহরগুলির মধ্যে অন্যতম।
কথিত আছে যে এই শহরে যে মারা যায় তার আর পুনর্জন্ম হয় না। জন্ম-মৃত্যুর বন্ধন থেকে আত্মা মুক্তিলাভ করে। তাই আগেকার দিনে অনেক সম্ভ্রান্ত লোক জীবনের শেষ দিনগুলো কাশীতেই কাটাতেন।
হিন্দুদের পাশাপাশি বৌদ্ধ আর জৈনদেরও পবিত্র তীর্থ বেনারস। সংস্কৃত শিক্ষার পাশাপাশি সঙ্গীতে হিন্দুস্থানি ঘরানার বিখ্যাত কেন্দ্র এই শহর। পাশাপাশি মুসলিম এবং খ্রিশ্চানরাও আছেন।


দিনের আলোয়

তাই বেনারস বা কাশীর ঐতিহ্যই আলাদা। তবু বেনারস স্টেশনে নেমে মন খারাপ হয়ে গেছিল। এই তো নভেম্বর মাসের শেষের দিকে গেছিলাম, তবে বেনারসের ওয়েদার সেই নভেম্বর মাসেও বেশ গরম। ভেবেছিলাম একটু ঠাণ্ডা হবে। বয়ে আনা সোয়েটার চাদরগুলো ব্যবহার করা যাবে না। সরাসরি বেনারস আমরা যাইনি। এলাহাবাদে দুদিন ছিলাম। তারপর বেনারস। বেনারসের গরম আবহাওয়া আর বিপুল জনসমাগম দেখে মন দমে গেছিল কিছুটা। এখানে অলিতে গলিতে প্রচুর সাহেব-মেম ঘুরে বেড়াচ্ছে। কখনও রিকশায় চড়ে ঘুরছে, কখনও হাঁটছে দল বেঁধে তো কখনও কেনাকাটায় মগ্ন আমাদেরই মতন।


রাতের আলোয়

পরের দিন খুব সকালে উঠে বাবা বিশ্বনাথের মন্দিরে পুজো দেওয়ার ব্যাপার ছিল। মন্দিরের ভিড়ের কথা আর নাই বা বললাম। মা অন্নপূর্ণাকেও দর্শন হল। ভিড়টা বেশি ছিল বাবার কাছে। আগেই বলেছি দ্বাদশ জ্যোর্তিলিঙ্গের অন্যতম এই বিশ্বনাথ শিব। এই মন্দির অতি প্রাচীন এবং অনেকবার ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে বিদেশী হানাদারদের হাতে। পুনরায় আবার গড়েও উঠেছে।
আগের দিন সন্ধ্যায় আমরা গঙ্গা আরতি দেখেছি।

গঙ্গা আরতি (গুলের সৌজন্যে)

বেনারসের সব চেয়ে বড়ো প্লাস পয়েন্ট এই গঙ্গার ঘাট। সমস্ত ত্রুটিবিচ্যুতি এই একটা জায়গায় এলেই ঢাকা পড়ে যায়। কত কী দেখার আছে এখানে। কত বিখ্যাত মানুষরা এখানে এসেছেন! ঠাকুর শ্রী রামকৃষ্ণ এসেছিলেন মথুরবাবুর সঙ্গে। গঙ্গায় নৌকাযোগে ভ্রমণের সময় মণিকর্ণিকা শ্মশান ঘাটে তাঁর মহাদেব এবং পার্বতী মায়ের অলৌকিক দর্শন হয়। পরবর্তী কালে স্বামীজিও এসেছিলেন। সেই বিখ্যাত বানরের ঘটনা তো এখানেই ঘটেছিল। রুখে দাঁড়া। সামনা কর বেটা! কত ঘটনাই যে মনে পড়ে যাচ্ছিল! কত সাধু সন্ন্যাসীর আখড়া এখানে! এখানেই তো থাকতেন মহাপুরুষ তৈলঙ্গস্বামী। তাঁকে বলা হত কাশীর সচল বিশ্বনাথ। এই বারাণসী যেন এক স্বপ্নের নগর। রানী লক্ষ্মীবাঈও জন্মেছিলেন এই শহরে। তাঁর আসল নাম ছিল মণিকর্ণিকা। সংক্ষেপে মনু। বিয়ের পর লক্ষ্মীবাঈ নাম হয়।
শুধু আধ্যাত্মিক দিক দিয়েই নয়, বলিউডের কত বিখ্যাত সিনেমার শুটিং-ও হয়েছে এখানেসত্যজিৎ রায়কে কী ভাবে ভুলি! সেই মছলিবাবার ভূমিকায় ফেলুদা মগনলালকে কোণঠাসা করে ফেলেছে! উফ, সেই দৃশ্য কি ভোলার! এদিকে গান হচ্ছে মীরার ভজন। ‘পাগো ঘুমরু বাঁধকে মীরা নাচিরে’।
বিশ্বনাথের মন্দিরে পুজো দিয়ে আমরা আবার ঘাটে এলাম। দিনের সৌন্দর্য আর রাতের সৌন্দর্যে মধ্যে বিস্তর ফারাক। দিনের বেলা একধরনের হাঁসের মতন পাখি দেখলাম ঝাঁক বেঁধে গঙ্গায় খেলছে। এরা পরিযায়ী পাখি। আসল নাম জানি না, স্থানীয় নাম জল কবুতর।


জল কবুতর (গুগলের সৌজন্যে)

নৌকা করে ঘাটগুলো ঘুরে দেখলাম। এক একজন রাজা এক এক সময়ে তাঁদের আলাদা ঘাট নির্মাণ করে গেছিলেন। সুদূর বিজয়নগর রাজ্য এবং মারাঠা, সিন্ধিয়া, হোলকার, পেশোয়া সব রাজ্যের শাসকরাও ঘাট নির্মাণ করে গেছেন। বেশিরভাগ ঘাটেসঙ্গে জড়িয়ে আছে পৌরাণিক কিছু কাহিনি। আমরা যাতে করে গঙ্গাবক্ষে ভ্রমণ করছি তা নৌকা ঠিক নয়, বরং বলা ভালো যন্ত্রচালিত নৌকা বা বোটমাঝি গাইডের কাজ করে। রাজা হরিশ্চন্দ্রের ঘাট, মণিকর্নিকার ঘাট, চৌষট্টি যোগিনীর ঘাট, অহল্যা ঘাট, চেত সিং ঘাট, অসি ঘাট, কেদার ঘাট, গঙ্গা মহল ঘাট, তুলসি ঘাট, জৈন ঘাট, দশাশ্বমেধ ঘাট সব মিলিয়ে মোট ৮৮ ঘাট আছে এখানে। প্রচুর মানুষ সাধু-সন্ন্যাসী সাহেব-মেম দেখে লাঞ্চ সেরে আবার হোটেলে ফেরা।
বেনারসের চা, পুরি, কচুরি, তরকারি, রাবড়ি, পান আর পান মশলার কথা না বললে বিশ্বনাথ আমায় ক্ষমা করবেন না। চা এখানের বড্ড ভালো। খাঁটি গরুর দুধের চা। পান মশলা আর বিভিন্ন রকম আচারের দোকান এখানে প্রচুর। প্রচুর মানুষ কিনে নিয়ে যান ভ্রমণের স্মৃতি হিসেবে। বেনারসি শাড়ি তো বিখ্যাতই। আর বেনারসি পানের বিজ্ঞাপন স্বয়ং অমিতাভ বচ্চন করে ফেলেছেন ডন ছবিতে খাইকে পান বনারসওয়ালাগানটির সঙ্গে।
শহরের আশপাশে অনেক দেখার জায়গা আশ্রম ইত্যাদি থাকলেও আমাদের যাওয়া হয়নি। পরের দিন আমরা গেছিলাম বিন্ধ্যাচলে মা বিন্ধ্যবাসিনীকে দর্শন করতে। বেনারসের চেয়ে বিন্ধ্যাচলে জনসমাগম বেশ কমই। তাই চোখের আরাম হয়। শহর থেকে দূরে চারপাশে গ্রাম। বন জঙ্গল দেখতে ভালোই লাগে। মাঝে মাঝে একটু থেমে টি ব্রেক। বিন্ধ্যাচল বেনারস থেকে ৭০ কিমি দূরে অবস্থিত। মির্জাপুর থেকে ৮ কিমি দূরে অবস্থিত এই বিন্ধ্যাচল। এটি একটি সিদ্ধপীঠ। এখানে রোজই খুব ভিড় হয়। দুর্গাপুজো এবং বাসন্তী পুজোর সময় নবরাত্রি অনুষ্ঠিত হয়। তখন আরও দূর দূরান্ত থেকে ভক্তরা আসেন। জ্যৈষ্ঠ মাসেও উৎসব হয়।


বিন্ধ্যবাসিনী মা (গুগলের সৌজন্যে)

পুজো দিয়ে একটা ধাবায় লাঞ্চ সেরে আবার গাড়িতে ওঠা। আর গরম বোধ হচ্ছে না। গাড়ি চলছে আবার বন জঙ্গল, গ্রামের মধ্যে দিয়ে। সব কেমন যেন নিঝুম। দূরে পাহাড়ের রেখা। এবার আমাদের গন্তব্য চুনার ফোর্ট।


ভর্ত্তৃহরির সমাধি

ফোর্ট মানেই হল ঐতিহাসিক জায়গা। তবে চুনারের কিছু পৌরাণিক কাহিনিও আছে। এর প্রাচীন নাম হল চরধারী। বলী নামে একসময় একজন রাজা বাস করতেন যিনি দ্যান ধ্যান করে প্রচুর খ্যাতি অর্জন করেছিলেন। ভগবান বিষ্ণু একজন বামনের ছদ্মবেশে এসে ত্রি পাদ মাত্র ভূমি (তিন খানা পা রাখার জায়গা) প্রার্থনা করে বসেন। বলী সম্মত হলেন। এই গল্প বিষ্ণুর দশ অবতারের কাহিনিতে পাওয়া যায়। চুনার দুর্গের ওপরে ভগবান প্রথম পা রাখেন। এইভাবেই এই জায়গার নাম হল চরধারী। লোকমুখে একসময় হয়ে যায় চুনার।  চুনার দুর্গের নাম জড়িয়ে আছে সম্রাট শের শাহ সুরীর সঙ্গে। এই দুর্গের ভেতরে আছে হিন্দুদের এক যোগীর সমাধি। তাঁকে মুসলিম শাসকরাও সমানভাবে শ্রদ্ধা করতেন। কারণ ঔরঙ্গজেব চেষ্টা করেও এই সমাধি ভাঙতে পারেননি। উলটে সমাধি থেকে মৌমাছির ঝাঁক বেরিয়ে তাঁর সেনাবাহিনীকে বিপর্যস্ত করে তুলেছিল। সম্রাট উপযুক্ত সম্মান প্রদর্শন করেন পরে। এই যোগীর নাম ছিল ভর্ত্তৃহরি। মনে পড়ে গেল শিবরাম চক্রবর্তীর বিখ্যাত ডিটেকটিভ চরিত্র ছিল শ্রীভর্ত্তৃহরি। ইনি উজ্জ্বয়িনীর বিখ্যাত রাজা বিক্রমাদিত্যের ভাই ছিলেন। ভর্ত্তৃহরিকে গভীর রাতে নাকি এখনও দেখা যায়।


চুনারগড়ের একটি অংশ

চুনার দুর্গের আরও অনেক গল্প আছে। দুর্গ একটা ছোটো টিলার ওপর। কালাকুঠরিগুলো দেখলে গা ছম ছম করে। মনে হয় রাজারা বেশ নিষ্ঠুর ছিলেন।  হুমায়ুনকে শের শাহ বন্দি করে রেখেছিলেন এই রকম এক কালাকুঠরিতে। বিভিন্ন শাসক বিভিন্ন সময় এই চুনার দুর্গের মালিক হয়েছিলেন। আপাতত ইতিহাস ভুলে আমরা দুর্গের ঠাণ্ডা ছাওয়ায় বসি কিছুক্ষণ। নিচ দিয়ে বয়ে চলা গঙ্গা মাকে দেখি। ছবি টবি তুলি। এখানে প্রচুর টিয়া পাখি আছে।  চুনার দুর্গের এই আলো ছায়ায় মাখা রহস্যময় পরিবেশকে, নির্জনতাকে উপভোগ করি।


দূর থেকে গঙ্গাকে দেখা যায়


এই জানালা দিয়ে রানিরা বিচার দেখতেন একসময়

তারপর আবার পথ চলা। পড়ন্ত বিকেলে মন খারাপ লাগছিল। আর কিছুক্ষণ দুর্গে থাকতে পারলে ভালো হত। হোটেলে ফিরে রেস্ট নিল কয়েকজন। কেউ কেউ মার্কেটে গেল।
পরের দিন লোকাল ট্যুর সারনাথ এবং আর কিছু দর্শনীয় জায়গা। সারনাথের মৃগদাভ উদ্যানে ভগবান বুদ্ধ তাঁর প্রথম উপদেশ দিয়েছিলেনএখানে এসে মনটা ভালো হয়ে গেলএখানে একটি মিউজিয়ামও আছে। বৌদ্ধদের চারটি পবিত্র তীর্থ ক্ষেত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম এই সারনাথ। নানান দেশের মানুষরা সারনাথে আসেন তাঁদের হৃদয়ের শ্রদ্ধা ভগবান তথাগতকে নিবেদন করতে। এখানে জাপান, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, তিব্বত, থাইল্যান্ড, মায়ানমার প্রভৃতি বৌদ্ধপ্রধান দেশগুলি মন্দির ও আশ্রম তৈরি করেছে।


সারনাথ




মনে করা হয় এই গাছের নিচেই তিনি উপদেশ দান করেছিলেন


ধামেক স্তূপ (গুলের সৌজন্যে)


অশোক চক্র  (গুগলের সৌজন্যে)

অন্যান্য দর্শনীয় জায়গাগুলোর মধ্যে আছে ধামেক স্তূপ, ধর্মরাজিক স্তূপ, ডিয়ার পার্ক। ধামেকের কাছে আছে সম্রাট অশোকের তৈরি ২০ মিটার উঁচু অশোক চক্র, ১১৯৪ সালে কুতুবুউদ্দিন আইবকের হাতে যা ধ্বংস হয়ে যায়। আজ সে ভগ্ন। সারনাথকে একটা দিন সময় দেওয়া উচিত ছিল, কিন্তু আমাদের হাতে সময় কম ছিল। তাই আবার বেরিয়ে পড়া।
বেনারস এসে কেউ বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি দেখবে না সেটা হয় না। কেমব্রিজ, অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির চেয়ে কোন অংশে কম নয় সে। বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে অবস্থিত। চারদিক সবুজে সবুজ। মদনমোহন মালব্য ১৯১৬ সালে এই বি এইচ ইউ প্রতিষ্ঠা করেন।
এখানে আছে নতুন বিশ্বনাথ মন্দির। বিড়লা মন্দির। বিশাল মন্দির। শিব ঠাকুরকে ছুঁয়ে প্রণাম করে সবাই। আসল বিশ্বনাথকে স্পর্শ করতে দেয় না, তাই এখানে শিবকে স্পর্শ করে অনেকে মনের সাধ পূর্ণ করেন।


বিড়লা মন্দির

এরপর রামনগর রাজবাড়ি। মুঘল স্থাপত্যের আদলে ১৭৫০ সালে কাশীর রাজা বলবন্ত সিং এই প্রাসাদ নির্মাণ করান। এখানে একটা মিউজিয়াম আছে রাজাদের পোশাকআশাক, পালকি, হাওদা, ঘড়ি ইত্যাদির কালেকশন নিয়ে। এখানে বেশ কিছু ঘরে কাজ চলছিল। একটা ঘরে অনেক বাদু আছে। ঘর বললে ভুল হবে, অন্ধকারাচ্ছন্ন এক পাতাল ঘর বলা ভালো


রামনগর (গুগলের সৌজন্যে)

বেনারস মন্দিরের জন্য বিখ্যাত। সব মন্দিরের নাম করলাম না। আমার ভালো লেগেছিল দুর্গার মন্দির আর হনুমানজীর মন্দির। হনুমানজীর মন্দিরের পরিবেশ খুব সুন্দর। বন জঙ্গলে ঘেরা। শহরের কোলাহল নেই। পাণ্ডাদের উৎপাত নেই। সর্বক্ষণ রামনাম করছে কিছু লোক। জাঁকজমক না থাকলেও মুক্ত প্রকৃতির সান্নিধ্য এই মন্দিরের সব চেয়ে পজিটিভ দিক। তবে আরণ্যক পরিবেশের কারণে হনুমানদের খুব উৎপাত এখানে।
তুলসীমানস মন্দির খুব ভালো লাগলকথিত আছে যে এই অঞ্চলেই তুলসীদাস তাঁর বিখ্যাত কাব্য রামচরিতমানস রচনা করেন। সাদা মার্বেল পাথর দিয়ে তৈরি মন্দিরের পরিবেশ খুবই মনোরম। মন্দিরের ভেতরে অনেক চমক আছে। ভগবান কৃষ্ণের জন্ম, রামের বিয়ে, মীরার কৃষ্ণপ্রেম, তুলসীদাস লিখছেন, এই সব কিছুই এখানে দেখতে পেলাম। মাটির পুতুল দিয়ে সাজানো হয়েছে সুন্দরভাবে এবং সবই অটোমেটিক। টিকিট চার টাকা। ছোটোবেলায় ঝুলন দেখার কথা মনে পড়ে যাচ্ছিল।


তুলসী মানস মন্দির

শোনা যায় কাশীতে নাকি মা অন্নপূর্ণার প্রসাদ পাওয়া যায় যদি মা কৃপা করেন। কথিত আছে যে এই শহরে না খেয়ে কেউ মরে না। মায়ের এমনই দয়া। মা অন্নপূর্ণা আমাদের বঞ্চিত করেননি। প্রাণ ভরে প্রসাদ খাইয়ে দিয়েছেন।
সময় ছিল না বলে দেখা হল না ভারতমাতা মন্দির, কাঠওয়ালা মন্দির, আলমগির মসজিদ এবং আরও অজস্র মন্দির। বাকি রয়ে গেল অনেক গল্প। পরের বারের জন্য তোলা রইল। বাবা বিশ্বনাথ আর মা অন্নপূর্ণা যদি আবার ডাকেন তো আবার বেরিয়ে পড়া যাবে। জয় বাবা বিশ্বনাথ! সবার মঙ্গল করো।


পথ চলতে চলতে
_____
কিছু তথ্যসূত্র - ইন্টারনেট
ছবি - কিছু লেখক এবং কিছু ইন্টারনেট-এর সৌজন্যে

1 comment: