গল্প:: সোনাদাদুর মায়া-বেহালা - সহেলী রায়


সোনাদাদুর মায়া-বেহালা
সহেলী রায়

রূপাইরা খবর পাওয়া মাত্রই রওনা হয়ে গেছে। পথ তো কম নয়। অন্যান্যবার গাড়ির জানলা দিয়ে এই রাস্তাখানা রূপকথার গল্পের মতো দেখায়। মসৃণ চকচকে, ঠিক যেন রাজপথ। পথের দু-ধারে সবুজ ধানী জমি এমন সুন্দর বর্গাকারে সাজানো রূপাইয়ের মনে হয় ড্রইং খাতার পাতার মতো কেউ স্কেল দিয়ে টেনে দিয়েছে তাদের মার্জিন। বেশ কিছুটা পেরোনোর পর শুরু হয় জঙ্গল। শাল সেগুনের বুক চিরে সরু গাড়ি রাস্তা। রূপাই কান পেতে থাকে। গাছেদের শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ ভেসে আসে। ভেতরে কোন পোড়ো বাড়িতে আজও অশীতিপর বৃদ্ধা যাদুবলে ছোটো ছোটো ছেলেমেয়েদের ছাগল, ভেড়া, গরু বানিয়ে দিচ্ছে যেন কিংবা এই গাছের গর্ভেই তাদের বন্দি করে রাখছে। শেষ পথটুকু সকলেই ঝিমোতে থাকে। রূপাই উত্তেজনায় সজাগ থাকে সবসময়।
তবে আজ চিত্রটা একেবারে উলটো। পথ শেষ হতেই চায় না। রূপাইরা যাচ্ছে রূপাইয়ের মায়ের মামা অর্থাৎ সোনাদাদুর বাড়ি। গড়জঙ্গলে শ্যামারূপা মন্দিরের কাছে বিরাট জমিজায়গা নিয়ে সোনাদাদুদের বাড়ি। জ্ঞান হওয়া থেকেই রূপাই এই বাড়িটির প্রতি আসক্ত, বলা ভালো সোনাদাদুর ভারি ন্যাওটা সে। রূপাইয়ের মা এই বাড়িতেই মানুষ। রূপাইদের ছুটিছাটা, উৎসব অনুষ্ঠান মানেই, সোনাদাদুর বাড়ি। ভোররাতের দিকে বাড়িতে খবরটা আসে।
দাদুর বাড়ির সবচাইতে পুরোনো কাজের লোক লাল্টুর চ্যাঁচামেচিতে সবার ঘুম ভেঙে যায়। লাল্টু কলঘরে যাবে বলে ঘুম চোখে উঠে দেখে বাড়ির সদর দরজা হাঁ করে খোলা। চোর ডাকাতের আক্রমণ ভেবে চ্যাঁচাতে চ্যাঁচাতে সোনাদাদুর ঘরের দিকে যখন ছুটে যায়, তখন দেখে সোনাদাদুর ঘরের দরজাও খোলা আর সোনাদাদু কোথাও নেই। আশেপাশে কোথাও গেছে ভেবে লাল্টু টর্চ নিয়ে বাড়ির চারপাশে প্রথমে, পরে বাইরে বেরিয়ে সম্ভাব্য যেসব জায়গায় সোনাদাদু যেতে পারেন বলে লাল্টুর মনে হয়েছিল আঁতিপাঁতি করে খুঁজতে থাকে। কোথাও কোনো হদিশ না পেয়ে বাড়ি ফিরে কান্নাকাটি জুড়ে দেয়। লোকজন আগেই উঠে বাড়ির সব জায়গায় খুঁজছিল। তারাও হতাশ। আত্মীয়স্বজনদের খবর দেওয়া হয়। রূপাইয়ের মা খবর শুনে বিচলিত হন। তখনই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় রূপাইরা সপরিবারে বীরভূম যাবে।
সোনাদাদুর জন্য রূপাইয়ের ভারি মন খারাপ। যদিও সোনাদাদুর পক্ষে এমন কাণ্ড ঘটানো আশ্চর্যের কিছু নয়। সোনাদাদু একজন বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী। নানা বিস্ময়কর গবেষণা, দেশ বিদেশে গবেষণার কাগজ পড়তে যাওয়া, কাজের জন্য ঘুরে বেড়ানো - তাঁর নেশা। তবে এমনভাবে মাঝরাতে কাউকে কিছু না জানিয়ে আগে কখনও উনি যাননি। কাজ করতে করতে একটু বেখেয়ালি আচরণ করলেও উনি মানুষের মন নিয়ে খুব সচেতন। রূপাইকেও কতবার বলেছেন, “জানিস রূপোদাদু, একা কোথাও সমস্যায় পড়লে সবার আগে নিজের মনকে প্রশ্ন করবি, দেখবি মন ঠিক সমাধান দেবে, অনেকগুলো লম্বা সুতো দিয়ে মন তৈরি, দেখিস না কুমুমাসি যখন সোয়েটার বোনে, উলের গোলা কেমন জট পাকিয়ে যায়। তেমনই মনের সুতোগুলো জট পাকিয়ে গেলেই যত ঝামেলা বুঝলি? মনখারাপ, শরীর খারাপ। ঐজন্যই মনটাকে খুব আদরে রাখতে হয় যে।” রূপাই কল্পনায় ‘মন’ নামক এক চরিত্র বানিয়ে ফেলে অবাক হয়ে জানতে চাইত, “মনকে কী করে আদর করব সোনাদাদু?”
“খেলবি, ঘুরবি, বাগান করবি, পাখিদের সঙ্গে কথা বলবি, এমন কত কী আছে করার, বড়োরা বড়োদের মতো করবে আর ছোটোরা ছোটোদের মতো।”
সোনাদাদুর বাড়ি এইজন্যই প্রিয় রূপাইয়ের, এখানে এলে যা খুশি তাই করার অধিকার মেলে। মন নিয়ে গবেষক দাদু কখনও কাউকে দুশ্চিন্তায় ফেলবেন, এ আশা করা যায় না। সবাই উদ্বিগ্ন। বাড়ির পেছনে বিরাট পুকুর। জেলে নামানো হয়েছে, যদি কিছু পাওয়া যায়। সবার মনে আগে দুশ্চিন্তাগুলোই আসে। সোনাদাদুর বয়স সাতষট্টি। শরীরে, মনে এখনও বেশ যুবক, কারও বিশ্বাসই হচ্ছে না এমন একটা মানুষ রাতারাতি উধাও হয়ে যাবেন। রূপাইয়ের অন্য মাসি, মামারাও হাজির, সবমিলিয়ে বাড়ি একেবারে জমজমাট। রূপাই বাকি ভাইবোনেরদের সঙ্গে পুকুরপাড়ে বসে আছে। সকলেরই মুখে চোখে চিন্তার ছাপ। কিন্তু না, পুকুর ঘেঁটে তেমন কিছুই পাওয়া গেল না। শুধুমাত্র একটি বেহালার কাঠামো ছাড়া। বেহালাতে কোনো তার বাঁধা নেই। বেহালাটিকে সোনাদাদুর খামখেয়ালিপনার নিদর্শন ভেবে সবাই এড়িয়ে গেল, তবে রূপাইয়ের চোখ কিন্তু ওতেই আটকাল। রূপাই ছুটে গেল দেখতে, পেছনে রূপাইয়ের মাসতুতো, মামাতো ভাই বোন - পিঙ্কি, সাজু, সানি সবাই হাজির।
রূপাই ঝুঁকে পড়ল বেহালাটার ওপর।
“তখন থেকে কী দেখছিস বল তো রূপাইদাদা?”
সানি কৌতূহল চাপতে পারে না। রূপাই এখন ক্লাস সিক্স। পড়াশোনায়, বুদ্ধিতে সে তুখোড়। অন্তত সোনাদাদু তেমনই বলতেন - ‘রূপোদাদু আমার কার্বন কপি’। কথাটায় বারবার রূপাইও খুব উৎসাহ পায়, সেও বিজ্ঞানী হতে চায় যে।
“সোনাদাদু আমায় একটা গল্প বলেছিল, শুনবি?”
গল্পের কথা শুনে সকলেই ঝটপট বসে পড়ল রূপাইকে ঘিরে। সম্মতি মিলতেই রূপাই শুরু করল।
“অনেকদিন আগে স্কটল্যান্ডের একটি গ্রামে রোরি নামে একটা ছেলে ছিল। রোরি ছোটো থেকে গান গাইত দেখে ওর বাবা-মা ওকে পিয়ানো শেখাতে শুরু করেন। রোরির আঙুলে সত্যি জাদু ছিল। কিছুদিনের মধ্যেই ও নাম করে ফেলে। বিভিন্ন জায়গায় বাজানোর জন্য ওকে ডেকে নিয়ে যাওয়া হত। রোরির ভালো লাগত না, কিন্তু বাবা-মা যদি দুঃখ পায় তাই সে কখনোই কোথাও যেতে আপত্তি করত না। রোরির নাম গ্রাম থেকে শহরেও ছড়িয়ে পড়ল। সে শহরেও আসাযাওয়া শুরু করল। গ্রাম ছেড়ে শহরে থাকতে রোরির খারাপ লাগত, সেখানে সব কিছু যান্ত্রিক, আন্তরিকতার লেশমাত্র নেই। একটা সময় সে খুব বিরক্ত অনুভব করে। একবার শহরে অনুষ্ঠান করতে গিয়ে সে মাঝরাতে বেরিয়ে পড়ে। আসলে রোরি বুঝতে পারছিল না সে জীবনে ঠিক কী চায়? অন্ধকার শহরে গলিঘুঁজি ঘুরতে ঘুরতে একটা কিছুর সঙ্গে সে ধাক্কা খায়। এতটাই জোর ধাক্কা যে রোরি হুড়মুড়িয়ে সামনে পড়ে যায়। কয়েক মুহূর্ত সব অন্ধকার দেখলেও নিজেকে সামলে নিয়ে যখন চোখ খুলে তাকায়, দেখে, সে একটা ঘরের ভিতর রয়েছে, ঘর না বলে দোকান বলা ভালো, দোকানটিতে নানারকম বাদ্যযন্ত্র আছে মানে পিয়ানো, গিটার এরকম অনেক কিছু। রোরি উঠে দাঁড়ায়। দেখে ঘরের কোনায় একটি টেবিল চেয়ারে এক বয়স্ক রোগা ভদ্রলোক বসে আছেন। উনি রোরিকে দেখে এগিয়ে আসেন এবং অনেকক্ষণ রোরিকে ভালো করে খুঁটিয়ে দেখতে থাকেন।”
এটুকু বলতে বলতে রূপাই অন্যমনস্ক হয়, সোনাদাদু রিভলভিং চেয়ারে চোখ বন্ধ করে গল্পটা বলছিলেন, রূপাইয়ের মনে পড়ে যায়।
“তারপর?” পিঙ্কি ছটফট করে বাকিটা শোনার জন্য।
“ভদ্রলোক রোরির হাত ধরে টেনে চেয়ারে বসান, তারপর একটা বাক্স নিয়ে আসেন। সেটি খুলে কাপড়ে জড়ানো একটি জিনিস বের করেন। কাপড় সরাতেই বেরিয়ে আসে একটা বেহালা। লোকটি রোরির হাতে বেহালাটি তুলে দিয়ে জানান, এটি যে-সে বেহালা নয়, ‘মায়া-বেহালা’। উনি নাকি রোরির অপেক্ষাতেই ছিলেন। বেহালাটির সুরের যাদু, পীড়িত মানুষকে সুস্থ করে তুলবে। তবে বেহালাটিতে শুধুমাত্র নিজের তৈরি করা সুর বাজানো যাবে, অন্য কোনো অনুকরণ করা সুর বাজালে বেহালাটি আর কাজ করবে না। রোরির মনে হয়, রোরি যা খুঁজছিল তাই পেয়ে গেছে। এরপর সে নিজে সুর বানাতে থাকে, সেই সুর শুনে মানুষ এত মোহিত হয়ে পড়ত যে অনেক অসুস্থ মানুষকে সুস্থ করতে রোরির ডাক পড়তে লাগল। একটা সময় রোরির খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বজুড়ে।”
গল্পটা বলে রূপাইয়ের নিজের মনটাই ভারাক্রান্ত হয়ে গেল। সকলকেই একটা নীরবতা ঘিরে ফেলল। ঠিক তখনই সমস্ত নিস্তব্ধতা ভেঙে রূপাই উঠে দুদ্দাড় করে সোনাদাদুর ছাদের ঘরে সবাইকে নিয়ে হাজির হল। রূপাইয়ের মনে পড়ছিল, সোনাদাদু চোখ বন্ধ করে বলছেন, ‘আহ! অমন একটা মায়া বেহালা যদি পেতুম, সব্বার মন ভালো করে দিতুম রে দাদু।’
রূপাই যা ভেবেছিল ঠিক তাইই। সোনাদাদুর ঘরে যত্রতত্র শুধু বেহালার নানা কাঠামো ছড়ানো ছিটোনো। প্রচুর কাগজ, যার মধ্যে সুরের স্বরলিপি কাটাকুটি করা। সোনাদাদু তার মানে অমন একটা বেহালা নিয়েই গবেষণা করছিলেন যার সুরে মানুষের মনের অসুখের মুক্তি ঘটবে। এরজন্যই কি দাদুকে যেতে হল? তাই যদি হয় এভাবে যাবেন কেন? না না, হিসেব কিছুতেই মিলছে না।
মনখারাপ নিয়ে ঘর থেকে বেরোতে গেল রূপাই। হোঁচট খেয়ে উলটে পড়ল দরজার কাছে। পিঙ্কিরা তাকে তুলে বসায়। সামনে কিছুই নেই অথচ সে হোঁচট খেল কীভাবে? অনুভব করল তার পায়ে কিছু যেন একটা আটকে গেছিল। কথাটা মনে হতেই তার গোড়ালির সামনে পায়ের পাতার উপরে জ্বালা করে উঠল, দেখল রক্ত বেরোচ্ছে জায়গাটা থেকে। খুব সূক্ষ্ম কোনো তার বা সুতোয় কেটে গেলে যেমন লম্বা চিরে যায় ঠিক তেমনই সরু ক্ষত। রক্ত দেখে সানি চ্যাঁচাতেই যাচ্ছিল, পিঙ্কি সময়মতো ওর মুখ চেপে ধরে।
“এখন কাউকে ডাকিস না সানি, সবাই এমনিতেই চিন্তায় আছে।”
সোনাদাদুর যা নামডাক একটু পরেই পুলিশ, মিডিয়া এসে পড়বে। তখন হয়তো এঘরে কাউকে ঢুকতে দেবে না। একেবারে সময় নষ্ট করা যাবে না। হাত দুটো মেঝেতে বোলাতে থাকল রূপাই। একটা ফিনফিনে সাদা তারের মতো নাইলনের সুতো, খালি চোখে প্রায় দেখাই যায় না, রূপাইয়ের হাতে ঠেকল। রূপাই সুতোটা একটু একটু করে টানতে লাগল। বেশ খানিকটা টানার পর সুতোটা যখন টান টান হয়ে গেল তখন একটা খড়খড় শব্দ পাওয়া গেল। শব্দের সূত্র ধরে রূপাইরা একটা পরিত্যক্ত আলনার পেছনে পৌঁছোল। এটা কী? রেডিও? হ্যাঁ একটা রেডিও থেকেই আওয়াজটা আসছে। রূপাই কান ঠেকাল, বোতামগুলো এদিক ওদিক ঘোরাল। এক জায়গায় কিছু অস্পষ্ট আওয়াজ শোনা যাচ্ছে যেন। রূপাই এদিক ওদিক করে রেডিওর কাঁটা স্থির করল জায়গাটায়।
“হ্যালোওও!”
‘পুকুর…।’ রূপাইয়ের জোরে হ্যালো বলাতে শুধুমাত্র একটা শব্দই ভেসে এল। গলার স্বরটা যে সোনাদাদুর তা বুঝতে বাকি রইল না। আর কিছু শোনা গেল না। রূপাইরা দৌড়োল পুকুর থেকে তোলা বেহালাটির কাছে। বেহালাটিকে নেড়েচেড়ে দেখে মনে হল ভিতরে কিছু নড়াচড়া করছে। বেহালার যেখানে তার বাঁধা হয় সেই বোতামগুলো ধরে এদিক ওদিক ঘোরাতেই বেহালাটি একটি বাক্সের মতো দু-ভাগ হয়ে খুলে গেল।
একটি চার ভাঁজ করা কাগজ পাওয়া গেল বেহালার খোলটার ভেতর। বেশ কিছু সরগম লেখা, যার প্রতিটি স্বরের পাশে ‘ডোপামিন’, ‘এন্ড্রোফিন’, ‘অক্সিটোসিন’ এমন অনেক শব্দ লেখা কাগজটায়। রূপাই এ বাড়ি এলেই সোনাদাদুর দেশ বিদেশের সায়েন্স জার্নালগুলোয় চোখ বোলাত। কত নতুন নতুন তথ্য পাওয়া যায়। সোনাদাদুই ধরিয়েছিল এই নেশা। রূপাই জানে এগুলো হ্যাপি হরমোনের নাম। কাগজের শেষ পাতায় স্টার চিহ্ন দিয়ে ছোটো ছোটো করে একটা নোট লেখা, রূপাইরা ঝুঁকে পড়ল কাগজটার ওপর।
‘ওরা জেনে গেছে, সিগন্যাল পাঠাচ্ছে, আমায় নিয়ে যেতে চায়, আমার গবেষণার সুর দিয়ে ওরাও মন… ওরা এসে গে…!’
অসম্পূর্ণ লেখাটির সঙ্গে একটা স্পেসশিপের স্কেচ।
সোনাদাদুর সামনে টেস্টটিউবে অনেক রকমের হরমোন। উনি মায়া-বেহালা বাজাচ্ছেন, মাপছেন, দৈত্যাকার টাচস্ক্রিনে লিখছেন হরমোনের ওঠানামা। এলিয়েনরা আশ্চর্য চোখে ঘিরে আছে সোনাদাদুকে, ওরা বুঝে গেছে অমরত্বের জন্য শরীর নয়, মনই গুরুত্বপূর্ণ। সমস্ত হরমোন ও মায়া-বেহালার সুর প্রয়োগ করে ওরা অমরত্ব চায়। তবেই সোনাদাদুর মুক্তি।
রূপাই হাঁ করে আকাশটা দেখল। একটা বাদামি ধোঁয়ার রেখা চলে গেছে। পুকুরেও গোলাকার একটা ছায়া পড়েছে যেন। সোনাদাদু কি পারবে ওদের যান্ত্রিক জীবনে মন জুড়ে দিতে? তারপর এই আকাশপথ দিয়েই কি ফিরবে? অজস্র কৌতূহলের চাদরে মুড়ে নিচ্ছে রূপাই নিজেকে।
সোনাদাদুর মায়া-বেহালার সুর ছুঁয়ে ফেলেছে মহাকাশ।
----------
ছবি - সুকান্ত মণ্ডল

No comments:

Post a Comment